Home •বাংলাদেশ
•বাংলাদেশ
বাংলাদেশে স্বৈরাচারের অধিকৃতি ও মৃত গণতন্ত্র PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 15 July 2018 16:55

মৃত গণতন্ত্র

বাংলাদেশের মাটিতে গণতন্ত্র নির্মূলের যুদ্ধটি প্রথম শুরু করেন শেখ মুজিব। সে যুদ্ধে তিনি বিজয় লাভ করেন একদলীয় বাকশালের প্রতিষ্ঠা ও বহুদলীয় গণতন্ত্রকে কবরে পাঠানোর মধ্য দিয়ে। শেখ মুজিবের মৃত্যু ঘটেছে। কিন্তু গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের যুদ্ধ থামেনি। বরং সে যুদ্ধের ধারাবাহিকতায় বাকশালী চেতনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে আজ শুধু জীবিত নয়, এক বিজয়ী আদর্শে পরিণত হয়েছে। চলমান এ যুদ্ধে তাদের প্রতিপক্ষ হলো জনগণ। তাদের লক্ষ্য স্রেফ দেশকে অধিকৃত রাখা নয়, জনগণকে পরাজিত এবং নিরস্ত্র রাখাও। আরো লক্ষ্য হলো, তাদের বিদেশী  প্রভু ভারতকে খুশি রাখা। স্বৈরশাসকগণ জানে, জনগণের মোক্ষম  অস্ত্রটি ঢাল-তলোয়ার বা গোলাবারুদ নয়, সেটি হলো ভোট। সে ভোট দিয়েই জনগণ তাদের ইচ্ছামত কাউকে ক্ষমতায় বসায়, কাউকে নামায় এবং কাউকে আস্তাকুঁড়ে ফেলে। গণতন্ত্রে জনগণের শক্তি তাই বিশাল। এ শক্তিবলে বড় বড় স্বৈরশাসককে জনগণ অতীতে আস্তাকুঁড়ে ফেলেছে। এজন্যই প্রতিটি স্বৈরশাসক গণতন্ত্রকে ভয় পায়। তারা জনগণের ভোটে ক্ষমতাচ্যুৎ হওয়া থেকে বাঁচতে চায়। তাদের লক্ষ্য তাই জনগণের হাত থেকে ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়া। ফলে  স্বৈরশাসক মাত্রই গণতন্ত্রের চিরশত্রু। স্বৈরতন্ত্র ও গণতন্ত্র –এ দুটি কখনোই একই ভূমিতে একত্রে বাঁচে না; একটির বাঁচা মানেই অপরটির মৃত্যু। জনগণের ভোটের অধিকার, মিছিল-মিটিং করার অধিকার ও মৌলিক মানবিক অধীকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও নৃশংস সহিংসতা ছাড়া স্বৈরশাসনের মৃত্যু তাই অনিবার্য়। গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে আওয়ামী বাকশালীদের লাগাতর ষড়যন্ত্র ও যুদ্ধের মূল কারণ তো এটিই।

Last Updated on Sunday, 15 July 2018 17:11
Read more...
 
বাংলাদেশে স্বৈরাচারের নাশকতা ও বাঙালী মুসলিমের ব্যর্থতা PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 08 July 2018 01:30

স্বৈরাচারঃ দুশমন মানব সভ্যতার

স্বৈরশাসকদের নৃশংস অপরাধ শুধু এ নয়, বিপুল সংখ্যায় তারা মানুষ খুন করে, গুম করে ও নির্যাতন করে। বরং সবচেয়ে বড় অপরাধটি ঘটে মহান আল্লাহতায়ালার নির্দেশিত সনাতন সত্যদ্বীন নির্মূলে। অপরাধ, মানুষের বিবেক নিধনের ক্ষেত্রেও। স্বৈরশাসকের নাশকতাটি তাই হিংস্র পশু ও প্রাণ-নাশক জীব-জীবাণুর চেয়েও ভয়াবহ। কারণ, ঘাতক পশু ও জীব-জীবাণু ইসলাম ও ঈমানের শত্রু নয়। তাদের কাজ স্রেফ দৈহিক হত্যা; বিবেক হত্যা বা ঈমান হত্যা নয়। তাই হিংস্র পশু ও জীব-জীবাণুর নাশকতা বৃদ্ধিতে মানুষ জাহান্নামে যায় না; জাহান্নামে যাওয়ার কারণ তো ঈমানের মৃত্যু এবং সৎ আমলের শূণ্য ভাণ্ডার। সেটি ঘটে স্বৈরশাসকদের হাতে দেশ অধিকৃত হওয়ায়। অসত্য ও অন্যায়ের প্রতিষ্ঠাকে প্রবলতর করে তারা অসম্ভব করে সুস্থ্য ঈমান-আক্বীদা, শিক্ষা-সংস্কৃতি, ন্যায়নীতি ও নেক আমল নিয়ে বেড়ে উঠা।

Last Updated on Friday, 20 July 2018 23:13
Read more...
 
বাংলাদেশে ভোট-ডাকাতদের নাশকতা ও জনগণের দায়বদ্ধতা PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 06 May 2018 13:09

চোর-ডাকাতেরাও যখন নেতা হয়!

প্রতি সমাজে যেমন ভাল মানুষ থাকে, তেমনি ভয়ানক চোর-ডাকাতও থাকে। তেমনি সত্য ধর্মমত যেমন থাকে, তেমনি মিথ্যা অপধর্মও থাকে। তাই শুধু বিষাক্ত কীট ও হিংস্র জন্তু-জানোয়ারদের চিনলে চলে না, সমাজের চোর-ডাকাতদেরও চিনতে হয়। থাকতে হয় মিথ্যা থেকে সত্যকে চেনার সামর্থ্য। মহান আল্লাহতায়ালা শুধু নামায-রোযা দেখেন না। দেখেন ঈমানদারের সে সামর্থ্যটিও। সে সামর্থ্যের মধ্যেই প্রকাশ পায় ব্যক্তির সত্যিকারের ঈমান, জ্ঞান ও প্রজ্ঞা। সে সামর্থ্যটি না থাকলে দুনিয়ার জীবনে সত্যের পক্ষ নেয়া যেমন অসম্ভব, তেমনি অসম্ভব হলো আখেরাতে জান্নাতের ধারে-কাছে যাওয়া। এরাই যুগে যুগে স্বৈরাচারি দুর্বৃত্তদের সকল কুকর্মের সেপাহি হয়। হজ-যাকাত এবং সারা জীবন নামায-রোযা আদায় সত্ত্বেও যারা ইসলামের শত্রুপক্ষের বিজয়ে ভোট দেয়, অর্থ দেয় ও যুদ্ধ করে পরকালে তাদের জন্য যে কতবড় বিপক্ষ অপেক্ষা করছে সেটি বুঝা কি এতই কঠিন। এটি তো মিথ্যার মাঝে সত্যকে চেনার ভয়ানক সামর্থ্যহীনতা। অথচ সে সামর্থ্যটুকু থাকার কারণে এমন অনেকেই জান্নাতে স্থান পাবে যারা জীবনে এক ওয়াক্ত নামায বা এক দিন রোযা আদায়ের সুযোগও পাননি। ফিরাউনের দরবারে হযরত মূসা (আঃ)র সাথে প্রতিদ্বন্দিতা দিতে এসে যে কয়েক জন যাদুকর মূসা (আঃ)র রবের উপর ঈমান এনে শহীদ হয়েছিলেন –তাদের উপর যে মহান আল্লাহতায়ালা কতটা খুশি হয়েছেন সেটি তো পবিত্র কোরআনে বার বার ঘোষিত হয়েছে। সত্যের পক্ষে সাক্ষ্য দিতে তাঁরা ছিলেন নির্ভীক; প্রস্তুত ছিলেন প্রাণ দেয়ার জন্য। যাদের প্রস্তুতিটি জান্নাতের জন্য তাদের কোরবানি তো এরূপ হওয়াই স্বাভাবিক। মানব ইতিহাসের অতি শিক্ষণীয় সে অবিস্মরণীয় ঘটনাটির রিপোটিং করেছেন মহান আল্লাহতায়ালা খোদ নিজে এবং চিরস্থায়ী করেছেন পবিত্র কোরআনে –যাতে মানুষ যুগ যুগ তা থেকে শিক্ষা নিতে পারে।

Last Updated on Sunday, 06 May 2018 16:05
Read more...
 
বাংলাদেশে মৃত গণতন্ত্র এবং বিজয় স্বৈরাচারি অসভ্যতার PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 20 May 2018 00:24

যে অসভ্যতা স্বৈরাচারে

স্বৈরাচার কোন কালেই দেশ শাসনের সভ্য রীতি ছিল না। ধর্মের নামে কোটি কোটি মানুষের জীবনে মুর্তিপূজা, শাপপূজা, গরুপূজা, লিঙ্গ পূজার ন্যায় সনাতন অপধর্ম ও অসভ্যতা যেমন এখনো বেঁচে আছে, তেমনি বহুদেশে প্রকট ভাবে বেঁচে আছে স্বৈরাচারের নগ্ন অসভ্যতাও। বাংলাদেশ তেমনি এক স্বৈরাচার কবলিত দেশ। কদর্য অসভ্যতার প্রকাশ শুধু পোষাক-পরিচ্ছদ, শিক্ষা-সংস্কৃতি, ধর্মপালন ও যৌন জীবনে থাকে না, থাকে রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রেও। বস্তুত রাজনীতির অঙ্গণে সে আদিম অসভ্যতাটি হলো স্বৈরাচার। অন্যান্য অসভ্যতার তুলনায় স্বৈরাচারি অসভ্যতার নাশকতাটি ভয়াবহ ও ব্যাপক। পতিতালয়ের অসভ্যতা বাইরের অন্যদের সভ্য রূপে বেড়ে উঠার অধিকারকে কেড়ে নেয় না। কিন্তু স্বৈরাচারের অসভ্যতায় নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস ও রাজনৈতীক মতবাদ নিয়ে বেড়ে উঠার স্বাধীনতাই শুধু বিলুপ্ত হয় না, কেড়ে নেয়া হয় প্রতিপক্ষের প্রাণে বাঁচার স্বাধীনতা টুকুও। তখন রাষ্ট্র ও জনগণের ভাগ্য নির্ধারণের সবটুকু ক্ষেত্র জুড়ে প্রতিষ্ঠা পায় একমাত্র স্বৈরশাসকের দখলদারি। সে অধিকৃত ভূমিতে অন্য কারো স্থান না দেয়াই স্বৈরাচারের রীতি। স্বৈরশাসকের জন্য সে স্থানটি নিরাপদ করতেই অন্যদের নির্মূল করা অপরিহার্য হয়ে পড়ে। স্বৈরাচারি অসভ্যতার ফসল তাই একদলীয় শাসন, গণহত্যা,গণনির্যাতন ও গণনির্মূল।

Last Updated on Sunday, 20 May 2018 00:35
Read more...
 
বাংলাদেশে হিন্দু সংস্কৃতির জোয়ারঃ বাঙালী মুসলিম কি ভেসেই যাবে? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Monday, 16 April 2018 05:21

বর্ষবরণের নামে পূজা

পূজা মন্ডপ এখন আর মন্দিরে নয়, ঢাকার রাজপথে নেমে এসেছে। নানা রংয়ের নানা জীব-জন্তুর মুর্তি মাথায় নিয়ে যারা মিছিলে নেমেছে তারাও কোন মন্দিরের হিন্দু পুরোহিত  বা হিন্দু পূজারি নয়। তারা নিজেদের পরিচয় দেয় মুসলিম রূপে। এ চিত্রটি এখন আর শুধু ঢাকা শহরের নয়, সরকারি খরচে সেটিই সারা বাংলাদেশ জুড়ে হচ্ছে। কথা হলো, এতে কি কোন মুসলিম খুশি হতে পারে? যার মনে সামান্যতম ঈমান অবশিষ্ঠ আছে তার অন্তরে তো এ নিয়ে বেদনাসিক্ত ক্রন্দন উঠতে বাধ্য। কারণ, এ তো কোন সুস্থ্য সংস্কৃতি নয়। নির্দোষ কোন উৎসবও নয়। এটি তো মহান আল্লাহতায়ালার বিরুদ্ধে বিদ্রোহের উৎসব। এটি তো সিরাতুল মুস্তাকীম ছেড়ে জাহান্নামের পথে চলা অসংখ্য মানুষের ঢল। এটি তো পৌত্তলিকদের পূজা মন্ডপ রাজপথে নামানোর মহা-উৎসব। এ উৎসব তো শয়তানের বিজয়ের। এবং সেটি মুসলিমদের রাজস্বের পয়সা। আরো পরিতাপের বিষয়, ইসলামের সংস্কৃতি ও অনুশাসনের বিরুদ্বে এ উদ্ধত শয়তানী বিদ্রোহের পাহারাদারে পরিণত হয়েছে দেশের পুলিশ ও প্রশাসন।

Read more...
 
<< Start < Prev 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 Next > End >>

Page 1 of 24
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2018 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.